রাজনগরের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মুসল্লি ওমর ফারুক

রাজনগরের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মুসল্লি ওমর ফারুক

স্টাফ রিপোর্টার :

রাজনীতির হাতেখড়ি যার স্কুল জীবন থেকেই তিনি মুসল্লি ওমর ফারুক।সেবা করতে চান নড়িয়া উপজেলার অধীনস্থ রাজনগর ইউনিয়নবাসীর।বিশ্বে মহামারি করোনাকালীন সময়ে দান-অনুদান সহ বিভিন্নভাবে ইউনিয়নবাসীর মন জয় করেছেন তিনি। আশা করছেন প্রিয় প্রতীক নৌকা পেলে ৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়লাভ করবেন তিনি।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, অসহায়, দুস্থ্যদের কষ্ট দেখে ১৯৮৮ সালে স্কুল জীবনে টিফিন থেকে টাকা বাঁচিয়ে করেন জনসেবা।মা ফিরোজা রাজ্জাক ছিলেন ইউপি সদস্য। মায়ের কাছে আশায় বুক বাঁধা বঞ্চিত মানুষের আহাজারি দেখে ছোট্ট ফারুকের হৃদয় কেঁদে উঠত। কিন্তু ইউপি সদস্য মায়ের কি আর সাধ্য আছে এত এত মানুষের সেবা করার! তার কাছে যা থাকত তাই বিলিয়ে দিতেন দু’হাত ভরে। বালক ফারুক শপথ নেন মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার। নাম লেখান রাজনীতিতে।বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে নাম লেখান বাংলাদেশ ছাত্রলীগে।বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী হয়ে মানুষের অধিকার আদায়ে স্লোগানে মুখরিত করেন রাজপথ। ১৯৯৫ সালে ছাত্রদের ভালোবাসায় নির্বাচিত হন জাজিরা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। একজন প্রতিষ্ঠিত ছাত্রনেতা হিসেবে মানুষের ভালোবাসা ভুলে যাননি দীর্ঘ ১০ বছরের প্রবাস জীবনে।বিদেশ থেকে খোঁজ-খবর রেখেছেন এলাকার সাধারণ মানুষের, ২০০৪ সালের বন্যাসহ অন্যান্য বিপদের সময়ের কথা ভুলে যাননি রাজনগরবাসী, কারণ পাশে ছিলেন মুসল্লি ওমর ফারুক। তারপর ২০০৭ সালে দেশে ফিরে আবার রাজনীতিতে সক্রীয় হন।তার পরের বছর ২০০৮ সালে নির্বাচিত হন রাজনগর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি।বর্তমানে সক্রীয় রয়েছেন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে।

এলাকার সাধারণ মানুষের অসুখ-বিসুখে ছুটে যান মুসল্লী ওমর ফারুক। গ্রামের সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য নিজ খরচে নির্মাণ করেছেন দীর্ঘ রাস্তা। রাতের অন্ধকারে বিষাক্ত সাপ,বিচ্ছু এমনকি অনাকাঙ্খিত বিপদ থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছেন রোড লাইটের। এলাকার মসজিদ-মাদ্রাসার দায়িত্ব নিয়ে এলাকাকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত করণে রেখেছেন ভূমিকা। এলাকার মানুষ মারা গেলে তাদের দাফনের জন্য ৪০ শতাংশ জমি দান করে তৈরী করেছেন গণকবরস্থান। যাদের দাফন-কাফনের সামর্থ নেই তাদের দাফন নিজ খরচে করেন মুসল্লী ওমর ফারুক। মানবাধিকার সংগঠনের মাধ্যমে অসহায়কে দেন সেবা।

বিশ্ব মহামারি সময়ে একাধিকবার এলাকার অসহায় হয়ে পড়া খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের মাঝে চাল, ডাল, আলু, তেল, পিঁয়াজ,মাস্ক ও স্যানিটাইজার উপহার হিসেবে বিতরণ করেছেন। এলাকার গরীব মানুষের ছেলে মেয়ের বিয়েতে গোপনে দিয়ে আসেন নগদ টাকা। গ্রাম সালিশে ন্যায় বিচার পান মানুষ, এমন কথোপকথনও রয়েছে তার নামে।

সেফাত উল্লাহ নামের একজন অসুস্থ্য রোগী জানান, আমি দীর্ঘদিন অসুস্থ্য থাকার পর ঢাকায় চিকিৎসা করতে গেলে মুসল্লী ওমর ফারুক ভাই যে সহযোগিতা করেছেন তা আমি আমৃত্যু মনে রাখব। সেফাতুল্লার আবেগঘন কথাটির সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে জানা যায়, রাজনগর বা শরীয়তপুরের রোগী হলেই ৫০ শতাংশ ছাড় দেন মুসল্লি ওমর ফারুক তার ইকোনো জেনারেল হাসপাতালে। আর গরীব হলে পাওয়া যায় বিনামূল্যে চিকিৎসা।

নড়িয়া-সখিপুরের সাংসদ পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীমের একান্ত আস্থাভাজন মুসল্লী ওমর ফারুক। উপমন্ত্রীর আস্থাভাজন বিশেষভাবে বাংলাদেশের স্থপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কান্ডারী হওয়ায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতারা অনেক বেশি পছন্দ করেন মুসল্লি ওমর ফারুককে।বর্তমান সময়ে নানা মাদকে ছেয়ে গেছে দেশ,ধ্বংস হচ্ছে প্রিয় যুবসমাজ,অনিবার্য ক্ষতি ঠেকাতে বিভিন্ন সময় উন্মুক্ত আলোচনা ও খেলাধুলার আয়োজন করে থাকেন মুসল্লী ওমর ফারুক,এসব কারণেই প্রিয় দলের নৌকা প্রতীক প্রত্যাশী আগামী ইউপি নির্বাচনে মুসল্লী ওমর ফারুক।

মুসল্লি ওমর ফারুক বলেন,স্কুল জীবন থেকে জনগণের কষ্টে আমি ব্যথিত। নিজের সামর্থ যতটুকু আছে তার মধ্যেই সব সময় পাশে আছি রাজনগর ইউপিবাসীর।আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত, ইনশাআল্লাহ যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই, তাহলে মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করব।যদি আমাকে মনোনায়ন দেয়া হয় তাহলে কোন স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে না।

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
রাজনীতি শরিয়তপুর সারাদেশ